ইরান হামলায় যুক্তরাষ্ট্রকে আকাশসীমা দেবে না গালফ দেশগুলো
০২ এপ্রিল ২০২৫, ০৯:২৪ এএম | আপডেট: ০২ এপ্রিল ২০২৫, ০৯:২৫ এএম

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক হামলার হুমকি দিলেও সউদী আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার ও কুয়েত স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে যে, তারা তাদের বিমানঘাঁটি বা আকাশসীমা ইরানের বিরুদ্ধে হামলার জন্য ব্যবহার করতে দেবে না। এই সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত পরিকল্পনায় বড় ধাক্কা বলে মনে করা হচ্ছে।
মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গালফ দেশগুলো এই সংঘাতে জড়াতে চায় না। ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র সউদী আরব ও আমিরাতের সঙ্গে সামরিক সহযোগিতা বাড়ানোর উদ্যোগ নিলেও তারা নিজেদের নিরপেক্ষ অবস্থানে অনড় রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র কাতারকে এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন এবং সউদী আরবকে উন্নত অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দিলেও এসব দেশ সরাসরি কোনো সংঘাতে যুক্ত হতে আগ্রহী নয়।
এই নিষেধাজ্ঞার কারণে যুক্তরাষ্ট্র ভারত মহাসাগরের দিয়েগো গার্সিয়া ঘাঁটিতে বি-২ বোমারু বিমান মোতায়েন করেছে, যা অতীতে ইরাক যুদ্ধেও ব্যবহার করা হয়েছিল। তবে ইরান ইতোমধ্যেই দিয়েগো গার্সিয়ায় হামলার হুমকি দিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রের সর্বোচ্চ পাল্লা ২,০০০ কিলোমিটার হলেও রাশিয়া ও চীনের তৈরি উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে তারা ভারত মহাসাগর থেকেও হামলা চালাতে সক্ষম হতে পারে।
বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতা বাড়ছে। অঞ্চলটিতে যুক্তরাষ্ট্রের দুটি বিমানবাহী রণতরী মোতায়েন রয়েছে এবং অন্তত ৪০,০০০ মার্কিন সেনা অবস্থান করছে। সউদী আরব, কাতার, কুয়েত ও বাহরাইনে যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটি রয়েছে। ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, যদি ইরান পারমাণবিক চুক্তিতে ফিরে না আসে, তাহলে দেশটির ওপর অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে ভয়াবহ হামলা চালানো হবে।
পর্যবেক্ষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের এই সামরিক প্রস্তুতি কেবল চাপ সৃষ্টির কৌশল, নাকি সত্যিই ইরানে হামলার পরিকল্পনা করছে, তা এখনো পরিষ্কার নয়। তবে গালফ দেশগুলোর এই সিদ্ধান্ত ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্ভাব্য সংঘাতের গতিপথকে গুরুত্বপূর্ণভাবে প্রভাবিত করতে পারে।
বিভাগ : আন্তর্জাতিক
মন্তব্য করুন
আরও পড়ুন

রোনালদোর জোড়া গোলে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আল হিলালকে হারাল নাসের

প্রয়োজনীয় সংস্কার করে যথাসম্ভব দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে: মিয়া গোলাম পরওয়ার

মুসল্লিদের বাধায় নাটক মঞ্চায়ন বাতিলের সংবাদ বিভ্রান্তিকর

মানুষ ফ্যাসিবাদ মুক্ত বাংলাদেশে স্বাচ্ছন্দ্যে ঈদ উদযাপন করেছে: আবদুল হালিম

থাইল্যান্ড থেকে দেশের উদ্দেশে রওনা হলেন প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস

নারীবান্ধব পাবলিক টয়লেট

মেডিক্যাল ট্যুরিজম

প্রেসার গ্রুপের ভালো-মন্দ

রাজধানীতে ট্রাফিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে হবে

ইশার নামাজের সাথে সাথে বিতির নামাজ না পড়া প্রসঙ্গে?

প্রশ্ন : মরণোত্তর চক্ষুদান বা অন্যান্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দান কি শরীয়ত সমর্থন করে?

মানুষের শ্রেষ্ঠত্ব হচ্ছে উত্তম চরিত্রে

খালেস নিয়তে আমল করলে প্রতিদান সুনিশ্চিত

ঈদ আসে-ঈদ যায়, স্মৃতিটুকু রয়ে যায়

ইসলামের দৃষ্টিতে পরোপকারের গুরুত্ব ও ফজিলত

ভাড়া বৃদ্ধির প্রতিবাদ করায় যাত্রীকে মারধর

কৃষক জজ মিয়ার মৃত্যু নিয়ে রহস্য

সরিষাবাড়ীতে বিএনপি’র দু’গ্রুপে দফায় দফায় সংঘর্ষ

কনস্টেবলকে মারধরের অভিযোগ

ছাত্রদল নেতার অফিসে হামলা-ভাংচুর স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার গাড়িতে আগুন